বুধবার এপ্রিল ১, ২০২০ || ১৮ই চৈত্র, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

করোনা সন্দেহে খুমেকে পিতাসহ পুলিশ সদস্য ভর্তি

খবর২৪ডেস্ক

করোনা ভাইরাস সন্দেহে খুলনা মেডিক্যাল কলেজ (খুমেক) হাসপাতালের করোনা আইসোলেশন ইউনিটে একজন পুলিশ সদস্য ও তার পিতাকে ভর্তি করা হয়েছে। মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) রাত পৌঁনে ১০টার দিকে তাদের খুমেক হাসপাতালের আইসোলেশন ইউনিটে ভর্তি করা হয়।

হাসপাতালে ভর্তি পুলিশ সদস্য খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের (কেএমপি) পুলিশ লাইনের কনস্টেবল। তার সেবায় নিয়োজিত থাকায় বাবাকেও হাসপাতালে ভর্তি রাখা হয়েছে। তারা মাগুরা সদর উপজেলার কাপাশাটি গ্রামের বাসিন্দা।

খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ডা. এ টি এম মঞ্জুর মোর্শেদ জানান, মঙ্গলবার রাতে ওই পুলিশ সদস্যকে তার বাবা করোনা সন্দেহে হাসপাতালে নিয়ে আসেন। পুলিশ সদস্যের জ্বর, মাথাব্যথা, সর্দি-কাশি ও গলা ব্যথা রয়েছে। প্রাথমিক পরীক্ষার পর তাকে করোনা ইউনিটে ভর্তি করা হয়। তিনি এই হাসপাতালের করোনা ইউনিটে ভর্তি হওয়া প্রথম রোগী।

মঞ্জুর মোর্শেদ আরও জানান, ছেলেকে এ অবস্থায় মাগুরা থেকে নিয়ে আসেন তার বাবা। চিকিৎসাসহ সেবা দেওয়ার সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকার কারণে তাকেও তাৎক্ষণিক করোনা ইউনিটে রাখা হয়েছে। তবে চিকিৎসকরা এখনো নিশ্চিত নয় তিনি করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত কি না।

তিনি বলেন, আমরা জাতীয় রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানের (আইইডিসিআর) সঙ্গে যোগাযোগ করছি। আইইডিসিআরের সঙ্গে যোগাযোগের পর তাদের স্যাম্পল কাল (বৃহস্পতিবার) সংগ্রহ করে পরীক্ষার জন্য ঢাকায় পাঠানো হবে।

খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের সিটি স্পেশাল ব্রাঞ্চের বিশেষ পুলিশ সুপার রাশিদা বেগম জানান, ওই পুলিশ সদস্য গত ৩ মার্চ থেকে পক্সে আক্রান্ত হয়ে মাগুরায় গ্রামের বাড়িতে ছুটিতে ছিলেন। মঙ্গলবার কেএমপিতে যোগদান করতে আসলে তার শারীরিক সমস্যার কারণে তাকে হাসপাতালে পাঠানো হয়। সঙ্গে তার পিতাকেও সতর্কতামূলকভাবে রাখা হয়েছে।

করোনা ভাইরাস সন্দেহে খুলনা মেডিক্যাল কলেজ (খুমেক) হাসপাতালের করোনা আইসোলেশন ইউনিটে একজন পুলিশ সদস্য ও তার পিতাকে ভর্তি করা হয়েছে। মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) রাত পৌঁনে ১০টার দিকে তাদের খুমেক হাসপাতালের আইসোলেশন ইউনিটে ভর্তি করা হয়।

হাসপাতালে ভর্তি পুলিশ সদস্য খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের (কেএমপি) পুলিশ লাইনের কনস্টেবল। তার সেবায় নিয়োজিত থাকায় বাবাকেও হাসপাতালে ভর্তি রাখা হয়েছে। তারা মাগুরা সদর উপজেলার কাপাশাটি গ্রামের বাসিন্দা।

খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ডা. এ টি এম মঞ্জুর মোর্শেদ জানান, মঙ্গলবার রাতে ওই পুলিশ সদস্যকে তার বাবা করোনা সন্দেহে হাসপাতালে নিয়ে আসেন। পুলিশ সদস্যের জ্বর, মাথাব্যথা, সর্দি-কাশি ও গলা ব্যথা রয়েছে। প্রাথমিক পরীক্ষার পর তাকে করোনা ইউনিটে ভর্তি করা হয়। তিনি এই হাসপাতালের করোনা ইউনিটে ভর্তি হওয়া প্রথম রোগী।

মঞ্জুর মোর্শেদ আরও জানান, ছেলেকে এ অবস্থায় মাগুরা থেকে নিয়ে আসেন তার বাবা। চিকিৎসাসহ সেবা দেওয়ার সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকার কারণে তাকেও তাৎক্ষণিক করোনা ইউনিটে রাখা হয়েছে। তবে চিকিৎসকরা এখনো নিশ্চিত নয় তিনি করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত কি না।

তিনি বলেন, আমরা জাতীয় রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানের (আইইডিসিআর) সঙ্গে যোগাযোগ করছি। আইইডিসিআরের সঙ্গে যোগাযোগের পর তাদের স্যাম্পল কাল (বৃহস্পতিবার) সংগ্রহ করে পরীক্ষার জন্য ঢাকায় পাঠানো হবে।

খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের সিটি স্পেশাল ব্রাঞ্চের বিশেষ পুলিশ সুপার রাশিদা বেগম জানান, ওই পুলিশ সদস্য গত ৩ মার্চ থেকে পক্সে আক্রান্ত হয়ে মাগুরায় গ্রামের বাড়িতে ছুটিতে ছিলেন। মঙ্গলবার কেএমপিতে যোগদান করতে আসলে তার শারীরিক সমস্যার কারণে তাকে হাসপাতালে পাঠানো হয়। সঙ্গে তার পিতাকেও সতর্কতামূলকভাবে রাখা হয়েছ

করোনা ভাইরাস সন্দেহে খুলনা মেডিক্যাল কলেজ (খুমেক) হাসপাতালের করোনা আইসোলেশন ইউনিটে একজন পুলিশ সদস্য ও তার পিতাকে ভর্তি করা হয়েছে। মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) রাত পৌঁনে ১০টার দিকে তাদের খুমেক হাসপাতালের আইসোলেশন ইউনিটে ভর্তি করা হয়।

হাসপাতালে ভর্তি পুলিশ সদস্য খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের (কেএমপি) পুলিশ লাইনের কনস্টেবল। তার সেবায় নিয়োজিত থাকায় বাবাকেও হাসপাতালে ভর্তি রাখা হয়েছে। তারা মাগুরা সদর উপজেলার কাপাশাটি গ্রামের বাসিন্দা।

খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ডা. এ টি এম মঞ্জুর মোর্শেদ জানান, মঙ্গলবার রাতে ওই পুলিশ সদস্যকে তার বাবা করোনা সন্দেহে হাসপাতালে নিয়ে আসেন। পুলিশ সদস্যের জ্বর, মাথাব্যথা, সর্দি-কাশি ও গলা ব্যথা রয়েছে। প্রাথমিক পরীক্ষার পর তাকে করোনা ইউনিটে ভর্তি করা হয়। তিনি এই হাসপাতালের করোনা ইউনিটে ভর্তি হওয়া প্রথম রোগী।

মঞ্জুর মোর্শেদ আরও জানান, ছেলেকে এ অবস্থায় মাগুরা থেকে নিয়ে আসেন তার বাবা। চিকিৎসাসহ সেবা দেওয়ার সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকার কারণে তাকেও তাৎক্ষণিক করোনা ইউনিটে রাখা হয়েছে। তবে চিকিৎসকরা এখনো নিশ্চিত নয় তিনি করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত কি না।

তিনি বলেন, আমরা জাতীয় রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানের (আইইডিসিআর) সঙ্গে যোগাযোগ করছি। আইইডিসিআরের সঙ্গে যোগাযোগের পর তাদের স্যাম্পল কাল (বৃহস্পতিবার) সংগ্রহ করে পরীক্ষার জন্য ঢাকায় পাঠানো হবে।

খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের সিটি স্পেশাল ব্রাঞ্চের বিশেষ পুলিশ সুপার রাশিদা বেগম জানান, ওই পুলিশ সদস্য গত ৩ মার্চ থেকে পক্সে আক্রান্ত হয়ে মাগুরায় গ্রামের বাড়িতে ছুটিতে ছিলেন। মঙ্গলবার কেএমপিতে যোগদান করতে আসলে তার শারীরিক সমস্যার কারণে তাকে হাসপাতালে পাঠানো হয়। সঙ্গে তার পিতাকেও সতর্কতামূলকভাবে রাখা হয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *