রবিবার আগস্ট ৯, ২০২০ || ২৫শে শ্রাবণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

ভালোবাসা দিবসে শেক্সপিয়রের ‘হ্যামলেট’

খবর২৪ডেস্ক

শেক্সপিয়র রচিত অন্যতম সেরা নাটক ‘হ্যামলেট’। বিশ্বসাহিত্যের সেরা ট্র্যাজেডির মধ্যেও এটি একটি। ভালোবাসা দিবসে মঞ্চস্থ হবে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির আলোচিত এ নাট্য প্রযোজনা। ১৪ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যা ৭টায় বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির নাট্যশালার মূল মিলনায়তনে প্রদর্শিত হবে এ নাটক।

উইলিয়াম শেক্সপিয়র রচিত সৈয়দ শামসুল হক অনূদিত এ প্রযোজনার নির্দেশনায় রয়েছেন মঞ্চ সারথী আতাউর রহমান। প্রযোজনা উপদেষ্টা হিসেবে রয়েছেন লিয়াকত আলী লাকী।

উইলিয়াম শেক্সপিয়রের বিয়োগান্তক নাটক হ্যামলেট রচিত হয় ১৫৯৯ ও ১৬০২ খ্রিস্টাব্দের মধ্যবর্তী সময়ে। এটি শেক্সপিয়রের সবচেয়ে শক্তিশালী ও জনপ্রিয় নাটক হিসেবে সর্বজন স্বীকৃত। ডেনমার্কের রাজা হ্যামলেটের মৃত্যুর ঘটনাকে কেন্দ্র করে শুরু হয় নাটকটির কাহিনি। রাজার মৃত্যুর পর তার ছোট ভাই ক্লডিয়াস সিংহাসনে আরোহণ করেন এবং প্রয়াত বড় ভাইয়ের স্ত্রী গারট্রুডের সঙ্গে পরিণয়সূত্রে আবদ্ধ হন। বাবাকে হারানোর ব্যথা, মায়ের সঙ্গে চাচার বিয়ে এবং সর্বোপরি চাচার সিংহাসনে আসীন হওয়া যুবরাজ হ্যামলেটের জীবনের মর্মমূলে নাড়া দেয়, যুবরাজ শোকে-দুঃখে পাগলপ্রায় হয়ে পড়েন।

তিনি কিছুতেই এ দুর্বিষহ অন্যায় মেনে নিতে পারেন না। পিতার প্রেতাত্মা জীবনের এ দুঃসহলগ্নে তার সামনে আবির্ভুত হয়ে তাকে জানিয়ে দেয় যে, যদিও প্রচারিত হয়েছে তিনি সর্প দংশনে নিহত হয়েছেন কিন্তু আসল সত্য হলো তার ছোট ভাই ক্লডিয়াস কানে বিষ ঢেলে তাকে হত্যা করেছে। মন্ত্রী পলোনিয়াস হ্যামলেটের মা রানি গারট্রুডের ঘরে মা ও ছেলের কথোপকথন শোনার জন্যে আঁড়ি পাততে গিয়ে যুবরাজ হ্যামলেটের তরবারির আঘাতে নিহত হয়। হ্যামলেট তাকে রাজা ক্লডিয়াস ভেবে ভুলবশত হত্যা করে।

পলোনিয়াসের কন্যা এবং যুবরাজ হ্যামলেটের প্রেমিকা ওফেলিয়া বাবার মৃত্যুকে কেন্দ্র করে মানসিকভাবে ভেঙে পড়ে এবং পানিতে ডুবে আত্মহত্যা করে। বাবা ও বোনের মৃত্যুতে মন্ত্রীপুত্র লেয়ার্তেস প্রায় পাগল হয়ে পড়ে। রাজা ক্লডিয়াস ষড়যন্ত্র করে হ্যামলেট ও লেয়ার্তেসের মধ্যে তরবারির দ্বৈতক্রীড়া প্রতিযোগিতার আয়োজন করেন। লেয়ার্তেসের তরবারির মাথায় বিষ মাখানো ছিল। সে বিষাক্ত তরবারির আঘাতে লেয়ার্তেস হ্যামলেটের ঊর্ধ্ব বাহু রক্তাক্ত করে, হ্যামলেট লেয়ার্তেসেরই বিষাক্ত তরবারি দিয়ে তাকে প্রত্যাঘাত করে। এভাবেই এগিয়ে যায় নাটকটির কাহিনি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *