মঙ্গলবার সেপ্টেম্বর ২৯, ২০২০ || ১৪ই আশ্বিন, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

সাংবাদিকদের প্লট বরাদ্দে অনিয়মে মির্জা আব্বাসের বিরুদ্ধে মামলা

খবর২৪ডেস্ক
রাজধানীর মিরপুরে সাংবাদিকদের প্লট বরাদ্দে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী মির্জা আব্বাসের বিরুদ্ধে করা দুদকের মামলা ৬ মাসের মধ্যে নিষ্পত্তি করতে ঢাকার চার নম্বর বিশেষ জজ আদালতকে নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। একইসঙ্গে নিম্ন আদালতে বিচার কাজের ওপর দেওয়া স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার করা হয়েছে।

বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি কে এম হাফিজুল আলমের হাইকোর্ট বেঞ্চ আজ সোমবার এ আদেশ দেন। আদালতে দুদকের পক্ষে আইনজীবী ছিলেন অ্যাডভোকেট খুরশীদ আলম খান। মির্জা আব্বাসের পক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল একেএম আমিনউদ্দিন মানিক।

গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী থাকাবস্থায় মিরপুরে সাংবাদিকদের প্লট বরাদ্দের মাধ্যমে রাষ্ট্রের ১৫ কোটি ৫২ লাখ ৫০ হাজার ৯ শত টাকা আত্মসাতের অভিযোগে ২০১৪ সালে শাহবাগ থানায় মামলা করে দুদক। এ মামলায় গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী আলমগীর কবির, জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষের সদস্য (ভুমি ও সম্পত্তি ব্যবস্থাপনা) আজহারুল হক, জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষের ক্যাশিয়ার মো. মনসুর আলম ও হিসাব সহকারি মতিয়ার রহমানকে আসামি করা হয়। তদন্ত শেষে এ মামলায় ২০১৫ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দেয় দুদক। অভিযোগপত্রে মির্জা আব্বাস ও জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষের কর্মকর্তা বিজন কান্তি সরকারকে আসামি করা হয়। তবে আজহারুল হককে বাদ দেওয়া হয়। এরপর ২০১৬ সালের ৬ জানুয়ারি বিচারিক আদালতে আত্মসমর্পণ করেন মির্জা আব্বাস। এরপর তাকে কারাগারে পাঠানো হয়। এ মামলায় ওই বছর ৯ মার্চ হাইকোর্ট তাকে জামিন দেন। এ আদেশের বিরুদ্ধে দুদক আবেদন করলে আপিল বিভাগ একইবছরের ৩১ মার্চ জামিন বহাল রাখেন।
এরপর একই বছরের ৩ এপ্রিল মির্জা আব্বাস কারাগারে থেকে মুক্তি পান। এ মামলায় ২০১৬ সালের ২০ অক্টোবর অভিযোগ গঠন করে ঢাকার বিশেষ জজ আদালত। এরপর মামলাটি বাতিল চেয়ে মির্জা আব্বাস একই বছরের ৮ ডিসেম্বর হাইকোর্টে আবেদন করেন। হাইকোর্ট একই বছরের ১৪ ডিসেম্বর মামলার কার্যক্রম স্থগিত করেন এবং মামলাটি কেন বাতিল করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেন। গতকাল এই রুলের ওপর চূড়ান্ত শুনানি শেষে আজ খারিজ করে দিয়েছেন হাইকোর্ট।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *