বৃহস্পতিবার এপ্রিল ১৯, ২০১৮ || ৬ই বৈশাখ, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ

জাতীয় নির্বাচন নিয়ে সংশয় বি. চৌধুরীর

খবর২৪ডেস্ক
আগামী জাতীয় নির্বাচন হবে কিনা এ নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছেন বিকল্প ধারা বাংলাদেশের প্রেসিডেন্ট অধ্যাপক এ.কিউ.এম বদরুদ্দোজা চৌধুরী।

তিনি বলেন, সরকারের যুক্তিহীন ও গণতন্ত্রবিমুখ পদক্ষেপের কারণে মানুষ আশংকায় আছে দেশে আগামীতে জাতীয় নির্বাচন হবে কিনা। নির্বাচন আদৌ হবে কিনা? নির্বাচনে রাজনৈতিক দলগুলো অংশগ্রহণ করতে পারবে কিনা এ নিয়ে সংশয় রয়েছে।

বাংলা নববর্ষ ১৪২৫ উপলক্ষে শনিবার দলের কুড়িল বিশ্বরোডের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় বি. চৌধুরী এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, দেশের মানবাধিকার, গণতন্ত্র যেভাবে সংকুচিত হয়ে যাচ্ছে তাতে দেশের গণতন্ত্রকামী মানুষ আগামী নির্বাচন নিয়ে শংকিত না হয়ে পারে না। দেশে জীবনের নিরাপত্তা নেই, আজ আছি কাল বেঁচে থাকব কিনা জানি না। অনেকে বলেন, এটা পুলিশি রাষ্ট্র, যতদিন গণতন্ত্র উন্মুক্ত না হয় ততদিন মানুষের মনে এই সন্দেহ থাকবে।

বাংলা নববর্ষ ১৪২৫ দেশবাসীর জন্য মঙ্গলময় ও নিরাপদ হোক প্রত্যাশা করে সাবেক রাষ্ট্রপতি বলেন, আমরা এমন একটা দেশ চাই যেখানে মানুষ শান্তিতে ঘুমাতে পারবে, সেই নিশ্চয়তা থাকতে হবে। তিনি গণতন্ত্রের বিজয়ের সংগ্রামে পাহাড় ও সমতলের মানুষ হিন্দু, মুসলিম, বৌদ্ধ, ও খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের বৃহত্তর ঐক্য কামনা করেন।

সন্তানদের ‘রাজাকারের বাচ্চা’ বলায় কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরীকে সংসদে দাঁড়িয়ে জাতির কাছে ক্ষমা প্রার্থনাসহ ওই শব্দগুলো অবিলম্বে প্রত্যাহারের দাবি জানান বি চৌধুরী।

অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তৃতা করেন নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না, বিকল্প ধারার কেন্দ্রীয় নেতা মাহবুব আলী, ইঞ্জিনিয়ার মো. ইউসুফ, বেগ মাহাতাব, হাফিজুর রহমান ঝান্টু, ওয়াসিমুল ইসলাম, যুবধারার সভাপতি ওবায়েদুর রহমান মৃধা, সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান বাচ্চু, শ্রমিক ধারার সভাপতি আইনুল হক, স্বেচ্ছাসেবক ধারার সভাপতি বিএম নিজাম, মুক্তিযুদ্ধ প্রজন্ম ধারার সভাপতি সাইফুল ইসলাম শোভন, ইঞ্জিনিয়ার মেসবাহ উদ্দিন জুন্নু, জান্নাতুল ফেরদৌস প্রমুখ।

মান্না বলেন, ৪৭ বছরে এই দেশ সোনার বাংলা হওয়ার বদলে হয়েছে হাইজ্যাকার, লুটপাট এবং গুম-খুনের দেশ। এখানে গণতন্ত্র নাই, আছে ক্ষমতা জবরদখলকারী, আর যারা ক্ষমতা দখলকারীদের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করে তাদের করা হয় পদাঘাত।

তিনি বলেন, গণতন্ত্র, মানুষের কল্যাণ এবং একটি কল্যাণমূলক রাষ্ট্রের জন্য লড়াই করার ব্রতই হোক বাংলা নববর্ষ ১৪২৫-এর প্রধান শপথ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *