শনিবার জুন ২৪, ২০১৭ || ১০ই আষাঢ়, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ

‘ত্রাণ বহরে হামলার উপযুক্ত জবাব দিবে জনগণ’

খবর২৪ডেস্ক
রাঙামাটি যাওয়ার পথে চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়ায় বিএনপি প্রতিনিধি দলের ত্রাণ বহরে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন দলের সিনিয়নর যুগ্ম-মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। তিনি বলেন, রাঙামাটিতে ক্ষমতাসীনরা এমন কিছু ঘটিয়েছে, যাতে বিরোধী নেতারা সেখানে গেলে থলের বিড়াল বেড়িয়ে আসতে পারে- এমন আশঙ্কা থেকেই ন্যাক্কারজনক হামলা চালিয়েছে আওয়ামী ক্যাডাররা।

তিনি বলেন, ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শনেও আমাদের বাধা দেয়া হচ্ছে, এতেই বুঝা যায় সরকার কতটা স্বৈরাচার হয়ে উঠেছে।

তিনি পাহাড় ধসে ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে দাঁড়ানোর জন্য দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানান। আজ রবিবার তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি।

তিনি বলেন, এই হামলার উপযুক্ত জবাব জনগণ যথাসময়ে দিবে।

এদিকে, হামলার পর বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর টেলিফোনে প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে ইত্তেফাককে বলেন, ‘আমরা রাঙামাটিতে পাহাড় ধসে ক্ষতিগ্রস্তদের মধ্যে ত্রাণ বিতরণের জন্য যাচ্ছিলাম। মূল সড়ক বন্ধ থাকায় রাঙ্গুনিয়া, কাপ্তাই হয়ে যাচ্ছিলাম। পথে ৫০ থেকে ৬০ জন দুর্বৃত্ত লাঠিসোটা ও দেশিয় অস্ত্র নিয়ে গাড়িবহরে হামলা চালায়। তারা অনবরত পাথর নিক্ষেপ করে।’

তিনি বলেন, ‘আমার গাড়িটি বহরের সামনের দিকে ছিলো। হামলায় গাড়ির কাচ ভেঙে যায়। আমার গাড়িতে থাকা চারজনই এ সময় আহত হন। আমার বুকে-পিঠে পাথর লাগে।বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল রুহুল আলম চৌধুরী, সাংগঠনিক সম্পাদক মাহবুবুর রহমান শামীমও আহত হয়েছেন।’

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ‘এখানে আজকে হামলার ঘটনায় এটাই প্রমাণিত হয়েছে, আমাদের লেভেলে যদি আক্রমণ করতে পারে… তারা যে কোনো পর্যায়ে যেতে পারে… তাদের হাতে কোনো মানুষ নিরাপদ হতে পারে না। আমরা এর তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি, প্রতিবাদ জানাচ্ছি।’

হামলার পর বিএনপির প্রতিনিধিদল রাঙামাটি না যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তারা রাঙ্গুনিয়া এলাকার পোমড়া খাঁ মসজিদ কমপ্লেক্সে অবস্থান নেন। পরে তারা চট্টগ্রাম শহরের দিকে রওনা দেন।

মির্জা ফখরুল চট্টগ্রাম ফিরে সংবাদ সম্মেলন করে এ ব্যাপারে বিস্তারিত জানাবেন।

এদিকে, হামলার জন্য আওয়ামী লীগ নেতা ও ওই এলাকার সংসদ সদস্য হাছান মাহমুদের সমর্থকদের দায়ী করেন বিএনপি নেতা আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী।হামলার সময় দুর্বৃত্তরা ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দেয় বলেও অভিযোগ করেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *