শনিবার জুন ২৪, ২০১৭ || ১০ই আষাঢ়, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ

ভিশন-২০৩০ : সর্বাধিক গুরুত্ব দিচ্ছে বিএনপি

খবর২৪ডেস্ক
নতুন ধারার রাজনীতির সূচনা আর সুশাসনের জন্য সংবিধানকে ঢেলে সাজানোর প্রতিশ্রুতি নিয়ে খালেদা জিয়ার ভিশন-২০৩০ রূপকল্প উপস্থাপনকে ‘মহাগুরুত্বপূর্ণ’ হিসেবে বিবেচনায় নিয়েছে বিএনপি।

এজন্য দেশের প্রায় সব রাজনৈতিক দলকেই সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত থাকার আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ, জাতীয় পার্টিসহ সব রাজনৈতিক দলের নেতা-নেত্রী, বিভিন্ন দেশের কূটনীতিক, বিশিষ্টজন, বুদ্ধিজীবী, প্রিন্ট-ইলেকট্রনিক্স- অনলাইন গণমাধ্যমের সম্পাদক ও সিনিয়র সাংবাদিকদের আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।

তবে খালেদা জিয়ার ভিশন-২০৩০ উপস্থাপনা অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণের আমন্ত্রণপত্র ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগকে দিতে গিয়েও সেটি হস্তান্তর করতে পারেনি বিএনপি। সোমবার বিকেল সোয়া ৫টার দিকে আওয়ামী লীগের ধানমন্ডি কার্যালয়ে যান দলের সহসাংগঠনিক সম্পাদক শহীদুল ইসলাম বাবুলের নেতৃত্বে বিএনপির একটি প্রতিনিধি দল। এ সময় কোনো নেতা কার্যালয়ে ছিলেন না। কার্যালয়ের এক নিরাপত্তা কর্মীর কাছে আমন্ত্রণপত্র দিতে চাইলেও দলের সিদ্ধান্ত ছাড়া তিনি তা নিতে অপারগতা প্রকাশ করেন। পরে আমন্ত্রণপত্র না দিয়েই ফিরে আসে বিএনপির প্রতিনিধি দল।

বুধবার বিকেল ৪টায় রাজধানীর গুলশানে হোটেল ওয়েস্টিনে সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির এই ‘ভিশন’ উপস্থাপন করবেন খালেদা জিয়া। এর আগে এই বিষয়ে আলোচনা করতে সোমবার রাতে দলের সর্বোচ্চ নীতি নির্ধারণী ফোরাম জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্যদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন বিএনপি চেয়ারপারসন।

ভিশন-২০৩০ এ কী থাকছে এ বিষয়ে ইঙ্গিত দিয়ে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ‘আমাদের যে দূরদৃষ্টি অর্থাৎ ২০৩০ সালে সরকার পরিচালনায় গেলে কী কী কাজ করব, দেশকে কীভাবে দেখতে চাই এবং স্বপ্নটা কীভাবে জাতিকে দেখাতে চাই সেই বিষয়গুলোই এখানে তুলে ধরা হবে।’

তবে বিএনপি মহাসচিব এও বলেন যে, ‘ভিশন-২০৩০ এর সঙ্গে নির্বাচন এবং নির্বাচনকালীন সহায়ক সরকারের রূপরেখার কোনো সম্পর্ক নেই।’

দলীয় সূত্রে জানা গেছে, ভিশন-২০৩০ এ খালেদা জিয়া রাজনীতিতে নতুন ধারা প্রণয়নের প্রতিশ্রুতি দেবেন। এ ছাড়া প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতায় ভারসাম্য আনা, দুই কক্ষবিশিষ্ট সংসদ, জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে জনগণের সম্মতি গ্রহণে সংবিধানকে ঢেলে সাজানোর পরিকল্পনার কথা থাকছে।

এ ছাড়া নির্বাচন কমিশন, দুর্নীতি দমন কমিশন, পাবলিক সার্ভিস কমিশন, মানবাধিকার কমিশন, আইন কমিশন ও বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের মতো সাংবিধানিক ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানগুলোতে দুর্নীতি, অনিয়ম রোধে আমূল পরিবর্তন আনা হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *